চীনের সহায়তায় দেশে তৈরি হবে সামরিক ড্রোন ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তি করছে বাংলাদেশ

 


বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। দেশেই সামরিক ড্রোন তৈরির লক্ষ্যে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রায় ৬০৮ কোটি টাকার একটি বিশাল চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে একটি অত্যাধুনিক সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপন করা হবে।

চুক্তির মূল দিকসমূহ:

  • বিনিয়োগের পরিমাণ: ড্রোন কারখানা স্থাপনে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০৮ কোটি টাকা।
  • প্রযুক্তি সহায়তা: চীন এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।
  • উদ্দেশ্য: সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা অর্জন করা।
সামরিক সক্ষমতায় নতুন মাত্রা

​প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। নিজস্ব কারখানায় ড্রোন উৎপাদিত হলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা ও নজরদারিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত হবে। বিশেষ করে সীমান্ত রক্ষা এবং দুর্যোগকালীন পর্যবেক্ষণে এই ড্রোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন

​এই বড় অংকের চুক্তি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চীনের তৈরি বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবহার করলেও, সরাসরি কারখানা স্থাপনের এই উদ্যোগকে একটি "মাইলফলক" হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশীয় ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।


Comments